দুনিয়ায় ডিভাইনিটির ফেমিনিন প্রকাশ বা সাকিনা ধরণের ধারণার সাথে “ইশ্বরের প্রতিনিধি পরী” ধরণের ধারণা সংঘর্ষ আছে বলে মনে হয় না। তবে ইশ্বরের প্রতিনিধি পরী কথাটি সেই পাত্রের ধারণের উপযুক্ত বলেই মনে হয় যে পাত্র দুনিয়ার বুকে খোদার ফেমিনিন প্রকাশ সংক্রান্ত ধর্মতাত্ত্বিক বা দার্শনিক জ্ঞান ধারণ করেনা। সুতরাং, তারেক মাসুদের তথাকথিত অপরিপক্ক পাত্রের চাইতে পরিপক্ক কোন পাত্রের সন্ধান এই লেখাটিতে পেলাম না, তা বলে রাখা দরকার।
তারা দাবি করেছে, পঞ্চাশের দশকে সুলতানের শিল্পকর্মের মধ্যে বিউপনিবেশায়নের ছাপ লক্ষ্য করা যায়। লেখাটি ছাপা হয়েছে খুব নামকরা একটা জার্নাল থেকে। তাদের লেখার পক্ষে খুব একটা শক্তিশালী কোন যুক্তি খাড়া করতে পারেননি।
ঔপনিবেশিক প্রভাব কাটিয়ে পুলিশকে যদি জনগণের হতে হয় এবং জনগণের সেবার মধ্য দিয়েই সরকারের দায়িত্ব পালন করতে হয়, তবে পুলিশি ব্যবস্থার চেয়েও সরকার ব্যবস্থার দৃষ্টিভঙ্গিগত পরিবর্তন অধিক জরুরি। সম্মতিভিত্তিক পুলিশিং পুলিশের একার কাজ নয়। পুলিশকে জনগণের হতে হলে পূর্বতন উপনিবেশগুলোর জন্য বিউপনিবেশায়নের রাজনীতির বিকল্প নেই।
অপরাধীকে সনাক্ত করে বিচারিক প্রক্রিয়ার মুখোমুখি না করে সরাসরি মেরে ফেলার মতো বর্বর রাষ্ট্রব্যবস্থা বহাল রেখে আমরা কেউ নিরাপদ থাকতে পারব না। সুতরাং, গুম-খুন-ক্রসফায়ার-তুলে নিয়ে যাওয়া-হয়রানিমূলক মামলায় আটক রাখার রাষ্ট্রপ্রণালীর বিরুদ্ধে প্রত্যেক নাগরিকের সোচ্চার হওয়া জরুরি।
বাংলাদেশে অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় অনেক নাগরিক নির্বাচনী ব্যবস্থার সংস্কার চান। নির্বাচনী আগ্রহের চলতি জাতীয় মুহূর্তে সেই লক্ষ্যে সংলাপ শুরু করা যায়। কারণ, বর্তমান নির্বাচনী ব্যবস্থায় মৌলিক গলদ রয়েছে।
বাংলাদেশের প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী শেখ মোহাম্মদ সুলতান (এস এম সুলতান) ১০ আগস্ট ১৯২৩ সালে জন্মগ্রহণ করেন। লেখক ও রাজনৈতিক কর্মী পারভেজ আলম বিভিন্ন সময়ে এস এম সুলতানের আঁকা ছবিকে নিয়ে ফেসবুকে লিখেছেন। সুলতানের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে পারভেজ আলমের দুটো ছোট লেখা ব্লগে প্রকাশিত হলো।
A couple of questions, in such a situation, naturally come up — why do states continue committing this crime against humanity? And does this dirty method of enforced disappearances, now rising as a global phenomenon having a legacy in the colonial past, mean that we will have to tolerate or turn a blind eye to the issue?
শিশু - কিশোরদের আন্দোলন আমাদের শেষবারের মতো স্মরণ করিয়ে দিয়েছে যে একাত্তরের পর যে বাংলাদেশটা গড়ে উঠেছিল, তার একটা শেষ সময় হাজির হয়ে গেছে। আখেরাত তো সেই সময় যখন মহাসংকট এসে যাবে এবং যেদিন মানুষ তার কৃতকর্ম স্মরণ করবে।
ছোটবেলা থেকে তাদের ওপর যে জুলুম চাপায়ে দেওয়া হয়, চারদিকে তারা যে অন্যায়-অনিয়মগুলো দেখে, একের পর এক ইস্যু আসছে-যাচ্ছে আর সেগুলো নিয়েরাজনীতিবিদদের উদ্ভট সব মন্তব্য, মিথ্যা প্রতিশ্রুতি, বানোয়াট কথাবার্তা – ইত্যাদি রাবিশ শুনতে শুনতে, দেখতে দেখতে তারা ত্যক্ত-বিরক্ত হয়ে গেছে।
তারা কোন ‘তৃতীয় পক্ষের’ কান পড়ায় বিভ্রান্ত নয়, বিচ্যুত নয়, পক্ষপাতদুষ্ট নয়। তারা ‘সেলফ ম্যানেজমেন্টে’ দীক্ষিত। তাদের এই অহিংস অভিনব প্রতিবাদ-প্রতিরোধেই আমাদের ভবিষ্যতের কর্মপন্থা নিহিত। প্রতিবাদ-প্রতিরোধের এই অভিনব পন্থা কে আমাদের নিজেদের করে নিতে হবে। নিপীড়ক এই রাষ্ট্রযন্ত্রের উপর সর্বাত্মক সামাজিক নজরদারি-খবরদারি বাড়াতে হবে তাহলেই এই ‘বেপরোয়া রাষ্ট্রযন্ত্র’ কে নিয়ন্ত্রণে আনা যাবে।