বাংলাদেশের শিক্ষা ও শিক্ষাব্যবস্থার আজ অতি মুমূর্ষু দশা। একটা স্বাভাবিক সুস্থ ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য যে ধরণের পদক্ষেপ নেওয়া যায়, মুমূর্ষুর জন্য তা নেওয়া যায় না। মুমূর্ষুকে বাঁচাতে প্রথমেই যেমন দ্রুত তার সমস্যা শনাক্ত করতে হয়, তেমনি দ্রুততার সাথে তাকে সঠিক দাওয়াইটাও দিতে পারতে হয়।
১৯৪৭ বা ১৯৭১ এ গণ-মানুষের আকাঙ্ক্ষা যেইসব শিল্পী পড়তে পারেন নাই, ইতিহাস তাঁদের খারিজ করে দিসে। ২০২৪ আমাদের আবার আরেকটা নতুন সুযোগ করে দিসে, কালাচারাল পলিটিক্সে, জনপরিসরে—কোথাও এইসব অমীমাংসিত প্রশ্ন এড়ায় যাওয়ার আর সুযোগ নাই। যারা বর্তমানে বিপ্লবী সরকার বা কন্সটিটিউয়েন্ট এসেম্বলি বা নির্বাচনী বন্দোবস্ত নিয়ে ব্যস্ত আছেন—তাঁরা তাঁদের কাজটা করবেন আশা আছে।
অভ্যুত্থান-পরবর্তী আমাদের কাঙ্ক্ষিত রাষ্ট্রের প্রথম লক্ষণ হবে এ শ্রেণির মানুষকে সম্বোধন করতে পারা। প্রকল্পের আওতায় নিয়ে আসতে পারা। এটা কেবল অধিকার বা মানবিকতার প্রশ্ন নয়। এটা বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অস্তিত্বের প্রশ্ন। বিপুল জনগোষ্ঠীর ন্যূনতম জীবনমান নিশ্চিত করতে না পারলে তো আসলে ওই কুশলী জনগোষ্ঠী কখনো তৈরি হবে না, যারা রাষ্ট্রকে পরের ধাপে উন্নীত করবে।
One piece of writing cannot fully capture the extent of the government's atrocities. However, it is important to emphasize that this government has lost all legitimacy to rule the country.
রবীন্দ্রনাথ চেয়েছিলেন ইহুদিদের পুনর্বাসন এবং আরবদের সঙ্গে তাদের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান। কিন্তু সেটা যে ইসরায়েল নামক স্বতন্ত্র কোনো জাতিরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সম্ভব নয়, সে ব্যাপারে রবীন্দ্রনাথ নিশ্চিত ছিলেন।
‘জেনোসাইড’ প্রচলিত সংজ্ঞা দ্বারা যেমন ইসরায়েলের বিরুদ্ধে জেনোসাইডের অভিযোগ তোলা যায়, তেমনি একইভাবে একই সংজ্ঞা ও কনভেনশন ব্যবহার করে ইসরায়েল পার পেয়ে যেতে পারে। ভূত খোদ জাতিসংঘের জেনোসাইড কনভেনশনের ভেতরেই লুকিয়ে আছে: আত্মরক্ষা ও সামরিক জরুরতের অজুহাতে শক্তিশালী রাষ্ট্রসমূহ জেনোসাইডমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
মানুষের প্রথম অবাধ্যতা,নিষিদ্ধ গন্ধমের স্বাদমরণ আনলো দুনিয়ায়, আনলো দুঃখ,বেহেশত হইতে বিতাড়িত, যতদিন নাআসলেন সেই মহাত্মা মানব,আবার ফিরাইয়া দিতে আমাদের সেইহারানো মোকাম,সুতরাং গাও, বেহেশতি বন্ধুয়া আমার,ওরেব...
The inner meaning of history […] involves […] an attempt to get to the truth, subtle explanation of the causes and origins of existing things, and deep knowledge of the how and why of events.
সংঘাত নিয়ে স্থানীয় অথবা আন্তর্জাতিক- উভয়ক্ষেত্রেই জেন্ডার দৃষ্টিভঙ্গী থাকা খুব জরুরী, কারণ সংঘাত কৌশলের অংশ হিসেবে প্রায়ই নারীরা লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হন।
রবীন্দ্রনাথের সাহিত্যিক সময়কে বাংলা সাহিত্যের প্রেক্ষাপটে প্রথম বড় ধরনের ঝাঁকুনি দিয়েছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম। কিন্তু সে ঝাঁকুনি সম্পূর্ণ অচেনা ছিল না; বড় ধরনের বিপর্যয় তাতে ঘটেনি। রবীন্দ্রনাথের সাহিত্যিক সময় প্রায় সম্পূর্ণ পাল্টে গিয়েছিল কল্লোলীয়দের হাতে। তার নন্দনতাত্ত্বিক তাৎপর্য আমাদের এখনকার আলাপের জন্য জরুরি নয়।