বাংলাদেশে এই গলদ অন্য যে কোনো দেশের তুলনায় অনেক বেশি। মোটা দাগে বাংলাদেশের প্রগতিশীল দাবীদারদের মধ্যে এই সমস্যাটি মহামারি আকারে বিস্তৃত। তাঁরা নিশ্চিত নন কী ধরণের রাষ্ট্র চান। এ জন্য তত্ত্ববাগীশরাও নিজেদের মধ্যে অসংখ্য উপদলে বিভক্ত। তাঁদের রাজনৈতিক জনসম্পৃক্ততা নিতান্তই নগন্য।
তাহলে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন হওয়া একটা দেশে আমলা বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের জন্য এখন দায়মুক্তির এই অনৈতিক অনুচ্ছেদকে পেনাল কোডের দোহাই দিয়ে কেন যৌক্তিক করা হচ্ছে?
ভারতীয় গণমাধ্যমের সেই প্রতিবেদনের দিক থেকে মনোযোগ সরে গেলেও বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক এখনও আলোচনায় রয়ে গেছে। তবে তাতে নতুন মোড় যুক্ত হয়েছে, তা হলো চীনের ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি। আগে যা একাডেমিক আলোচনার বিষয় ছিল, তা এখন গণমাধ্যমে আলোচনার বিষয়ে পরিণত হয়েছে।
সমালোচনাকে দমন করতে, বিরুদ্ধ মতকে দমন করতে, রাষ্ট্রের জবাবদিহি পরিস্থিতিকে নষ্ট করতে, ভাবমূর্তি ও মান সম্মান ধরে রাখতে, নিজের নিরাপত্তাকে নিশ্চিত করতে, প্রাইভেসি লঙ্ঘন করতে যে সমস্ত কাজ গুলোকে অপরাধ হিসেবে এই আইনে চিহ্নিত করেছে তার দুই একটা বাদে অধিকাংশই আমলযোগ্য এবং অ-জামিনযোগ্য অপরাধ হিসেবে নির্ধারণ করেছে।
আলথুসেরের ‘Ideology and Ideological State Apparatuses’ প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৭০ এর দিকে, এরপর থেকে বিভিন্ন কারণেই এর প্রভাব দুনিয়াতে এখন পর্যন্ত অটুট। আলতাফ পারভেজ এই প্রবন্ধের ভাবানুবাদ করার পাশাপাশি, মার্ক্স-লেনিন-গ্রামসি হয়ে আলথুসের পর্যন্ত মার্ক্সীয় রাষ্ট্রদর্শন বিকাশের একটা চিত্রও এঁকেছেন।
যখন সামাজিক নিরাপত্তা আইডিয়েল, তখন নাগরিকের হাজার হাজার আইডিওলজি থাকলেও কোনোটিই কোনোটির সংগে সাংঘর্ষিক হবেনা। কু ক্লাক্স ক্ল্যান এর মত ধ্বংসাত্মক দল, বা আই এসএস, অথবা নাৎসিবাদী কর্মকাণ্ড, যেগুলো সামাজিক নিরাপত্তা বিঘ্নিত করে, সেইসব ইজম ছাড়া যে কোনো নাগরিক যে কোনো ‘আদর্শিকতার চর্চা করতে পারবেন বিনা বাধায়।
রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলগুলোর যন্ত্রপাতি নবায়ন, আধুনিক প্রযুক্তির সংস্থাপন, পণ্য বৈচিত্র্যকরণ ও কার্যকর পাট গবেষণার মাধ্যমে ঐতিহ্যবাহী এই খাতকে লাভজনক করে তুলতে এর চাইতেও অনেক কম টাকার দরকার হবে।
চারু হক কাছাকাছি আয় উন্নতি ও আর্থসামাজিক পরিস্থিতি সম্বলিত রাষ্ট্রগুলো করোনা নামক মহাবিপর্যয় থেকে তাদের মানুষকে রক্ষার লক্ষ্যে কী কী পদক্ষেপ নিয়েছে সবই জানা যাচ্ছে।...
পাটশিল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তার কারণ দেখি না। তাই, পাটশিল্প বাঁচানোর শ্লোগানের চাইতে পাটশ্রমিকদের বাঁচানোর শ্লোগানটা জরুরী। রাষ্ট্রের টাকা, রাষ্ট্রের সম্পদ- মানে জনগণের টাকা, জনগণের সম্পদ। জনগণের পকেট কাঁটার এই আয়োজন বন্ধের দাবি তোলা খুব জরুরী!