প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মিলিয়ে বাংলাদেশের সব মানুষ ট্যাক্স দেয়

এত কিছুর পরেও কেমনে বলেন, বাংলাদেশের মানুষ ট্যাক্স দেয় না? আপনাদের লজ্জা করে না? মানুষ যে টাকা দেয় তার বিপরীতে প্রদত্ত সেবার মান না বাড়লে বাড়তি ট্যাক্স চাওয়া অবৈধ।

বাজেট নিয়ে ‘অপ্রয়োজনীয় কথা’

গল্পের মত ঠাস বুননে যে সব কথা বলা হয়েছে তাতে মনে হয়েছে – প্রবৃদ্ধি হচ্ছে মোক্ষ, নির্বাণ; সব কিছুর আরাধ্য হচ্ছে প্রবৃদ্ধি। কার জন্যে প্রবৃদ্ধি সেটা বড় কথা নয়।

বাংলাদেশের অর্থবিল বা বাজেট আইন আলোচনায় জিডিপি আর বরাদ্দ বিশ্লেষণ পদ্ধতি কতটা যুক্তিযুক্ত?

যারা মনে করেন ‘আইনের শাসন’ লাগবে তাদের মনে করিয়ে দেয়া যেতে পারে, এই চুরি-লুটপাটের পুরো ব্যবস্থাটা কিন্তু চলছে ‘আইনি’ পথেই। বাংলাদেশের মানুষ যেদিন এই রাষ্ট্রের চোখে চোখ রেখে এদের চালু করা এই আইনের শাসনকে চ্যালেঞ্জ করবে, প্রয়োজনে এইসব আইনকে উপেক্ষা করে বলবে এইগুলা বদলাও নয়তো ট্যাক্স-ভ্যাট বন্ধ করে দেবো, সেদিনই ফ্যাসিবাদ নড়েচড়ে বসবে।

বিউপনিবেশিত বিশ্ববিদ্যালয়ের রূপরেখা

বিউপনিবেশিত বিশ্ববিদ্যালয়ের রূপরেখা বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্র গঠনে তা ভূমিকা রাখবে এবং বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে প্রাণ ফিরে আসবে।

অনলাইন ক্লাস কার স্বার্থে?

আমাদের গুরুত্বের তালিকায় ঠিক কি আছে, যেকোনো সংকটে স্পষ্টভাবে তা বোঝা যায়। এই সংকটে শিক্ষাখাত নিয়ে নীতিনির্ধারকদের ভাবনা চিন্তাটা পরিষ্কার হয়ে দেখা দিচ্ছে তাদের গৃহীত সিদ্ধান্তে।

বাংলাদেশের সংবিধান: উপনিবেশের উত্তরাধিকার

বাংলাদেশের ১৯৭২ সালের সংবিধান যে পৃথিবীর ইতিহাসে অত্যুকৃষ্ট, সম্ভাব্য প্রায় সকল ভাল ভাল বাক্য এবং প্রতিশ্রুতি এখানে অকাতরে উপহার দেয়া আছে, এবং এর গূরুত্ব নিয়েও প্রচুর লেখা হয়েছে। সংবিধান বিষয়ক অধিকাংশ রচনা পাঠ করলে ধারণা হবে ‘৭২ সালের আদি সংবিধান থেকে বিচ্যুত হবার কারণেই বাংলাদেশের বর্তমান নিয়তি।

ধ্বসে পড়তই, এবার পড়ে গেল

তৈরিপোশাক খাত এবং প্রবাসী কর্মসংস্থান আগে থেকেই ধ্বসে পড়ার দোরগোড়ায় দাঁড়িয়েছিল। করোনা এসে ধাক্কা দিয়ে এদের পরিণতিকে চূড়ান্তে পৌঁছে দিল।

বব মার্লে ও আমাদের অসমাপ্ত ‘যুদ্ধ’

মার্লেরা কিসের জন্য লড়েছেন? কাদের বিরুদ্ধে লড়েছেন? কাদেরকে ধ্বংস করে দিতে চেয়েছেন? মার্লেরা লড়েছেন নষ্ট-ভ্রষ্ট সিস্টেমের বিরুদ্ধে, মুনাফাখোরদের বিরুদ্ধে, ধ্বংস করে ফেলতে চেয়েছেন শোষণ-শাসনের এই কর্তৃত্ববাদী সিস্টেমকে। ছিঁড়ে ফেলতে চেয়েছেন দাসত্বের শৃঙ্খলকে।

রাষ্ট্রচিন্তা ৭ দফায় কি বলতে চেয়েছে?

বিগত ৫০ বছরের শাসনকালের পর্যালোচনা থেকে তাই আমরা এটা স্পষ্ট যে, দেশের মানুষকে সম্পদ পাচার এবং জুলুম থেকে বাঁচতে হলে দেশের বিদ্যমান আইনকানুন, বিশেষত রাষ্ট্র পরিচালনার সাথে যেইসব আইনকানুন সম্পর্কযুক্ত, সেগুলির পরিবর্তন করতে হবে। রাষ্ট্রক্ষমতা ভোগকারীদেরকে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। আমাদের দেশের ৯৯ ভাগ মানুষই এইসব জুলুম, বেঈমানী আর অন্যায় আইন থেকে রেহাই চায়। কিন্তু কি করলে এ অবস্থার অবসান হবে এবং এ অবস্থার পরিবর্তে আমরা কেমন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে পারবো, সে সম্পর্কে তাদের সামনে স্পষ্ট কোনো ছবি নেই। তাই মানুষ হতাশ হয়ে এইসব জঘন্য অপরাধ আর জুলুমের সাথে আপোষ করেই একরকমভাবে টিকে থাকার চেষ্টা করতে বাধ্য হচ্ছে।