এইটা কি কোনো পোশাকী মহড়া?
জনস্বাস্থ্য বিষয়ক যে সঙ্কটকাল আমরা এখন পার করছি সেটা সামনের জলবায়ু সঙ্কটের জন্য আমাদেরকে প্রস্তুত কিংবা কিংবা প্ররোচিত করছে অথবা উস্কানি দিয়ে বেড়াচ্ছে। আমার এই হাইপোথিসিসকে এখন একটু খুঁটিয়ে দেখা দরকার।
একটি রাষ্ট্রনৈতিক জার্নাল
জনস্বাস্থ্য বিষয়ক যে সঙ্কটকাল আমরা এখন পার করছি সেটা সামনের জলবায়ু সঙ্কটের জন্য আমাদেরকে প্রস্তুত কিংবা কিংবা প্ররোচিত করছে অথবা উস্কানি দিয়ে বেড়াচ্ছে। আমার এই হাইপোথিসিসকে এখন একটু খুঁটিয়ে দেখা দরকার।
সরকারের সমালোচনা করা যাবে না কেন? রাষ্ট্রীয় জুলুমের বিরুদ্ধে কথা বলা যাবে না কেন? সমাজে কি ভিন্নমত থাকবে না? মত প্রকাশের স্বাধীনতা কি থাকবে না? গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার এমন মৌলিক বোঝপড়াগুলোকেও ‘আইনি’ প্রক্রিয়ায় রদ করা হচ্ছে। ফলে, আমাদের চোখের সামনেই আমরা ফ্যাসিবাদী ও একচেটিয়াতন্ত্রের উলঙ্গ আস্ফালন দেখতে পাচ্ছি।
শ্বাস নিতে না পাইরা ফ্লয়েড মারা গেলেন এমন একটা সময়ে, যখন আশিল এমবেম্বে শ্বাস নিতে পারার অধিকারকে একটি সর্বজনীন অধিকার (universal right) বলে ঘোষণা করেছেন।
এর মাঝে রাজা মহেন্দ্রকে নিয়ে ইতিহাসচর্চার পরিসরে কিছু আলাপ-আলোচনা হলেও মওলানা বরকতুল্লাহ (পুরো নাম আব্দুল হাফিজ মোহাম্মদ বরকতুল্লাহ) ইতিহাসে প্রাপ্য সম্মান পেয়েছেন সামান্যই। কিন্তু কেন? এই হলো প্রথম প্রশ্ন।
দুই-দুইবার দেশ স্বাধীন করার পরও কেন একটা স্বাধীন রাষ্ট্র এখনো গড়ে তোলা গেল না, সে বিষয়ে আমাদের রাষ্ট্রনৈতিক চেতনাকে এখনো যে প্রায় বুদ্ধি-প্রতিবন্ধী পর্যায়ে আটকে রাখা গেছে, তার মূল চাবিকাঠিটা এইখানে।
পৃথিবীর অন্য আরো সংস্কৃতিতেও নিশ্চয়ই এরকম আত্মত্যাগের ঘটনা আছে। কিন্তু আমি ইউরোপ, আমেরিকার বহু দেশ ঘুরেও পরিবারের ঘানি টানতে এভাবে নিজেকে নিঃশেষ করে দেওয়া অন্য জাতির অনেক যুবকের দেখা পাইনি। কিসের নেশায়, কোন মোহে তারা এটি করে? কেন করে?
শিক্ষাদীক্ষা-জ্ঞানবিজ্ঞানে উন্নত দেশগুলোতে ট্রুথ আলোচিত হচ্ছেন। আমেরিকা ও ইউরোপে তিনি ভাস্কর্য ও চিত্রকর্মে স্থান পেয়েছেন, এবং পাচ্ছেন। তাঁর নামে স্কুল,কলেজ,বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠকেন্দ্র,লাইব্রেরি ইত্যাদির নামকরণও হয়েছে। তাঁর ছবিসহ যুক্তরাষ্ট্রের দশ ডলারের বিল বাজারে আসবে এই বছরই।
রাষ্ট্র ও বিশ্ববিদ্যালয় দুটিই প্রতিষ্ঠান। একটির সাথে আরেকটির গভীর মিল ও নির্ভরতা আছে। বাংলাদেশে দুটির অবস্থাই করুণ। এ প্রবন্ধে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের পঞ্চাশ বছর আর বিশ্ববিদ্যালয়ের একশ বছর উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের পুনর্গঠনের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রের পুনর্গঠনের একটা সম্পর্ক ও সম্ভাবনা বিশ্লেষিত হয়েছে।
এদিকে করোনা ভাইরাসের প্রভাবে স্থবির হয়ে যাওয়া বিশ্ব, শিক্ষাব্যবস্থাকে অনির্দিষ্টকালের বিরতি থেকে বাঁচাতে ‘অনলাইন শিক্ষা’ কার্যক্রম চালু রেখেছে। কিন্তু এই ব্যবস্থার কারণে সৃষ্ট বিভিন্ন প্রতিকূলতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশিষ্ট শিক্ষকেরা। গার্ডিয়ানে প্রকাশিত একাধিক নিবন্ধে এসব সমস্যার কথা তুলে ধরা হয়েছে।
ষড়যন্ত্র বোঝাতে অ্যাসাঞ্জ এমন একটা ক্ষমতা– সম্পর্ক কে চিহ্নিত করেন, যা জালের মত, এবং তার গিটগুলো কেন্দ্র হিসেবে পরস্পরের সঙ্গে মিথস্ক্রিয়া করে। এই মিথস্ক্রিয়া ছাড়া ষড়যন্ত্র অসফল। এই মিথস্ক্রিয়া ছাড়া ষড়যন্ত্র অসফল। ষড়যন্ত্রকে এই নিরিখে দেখার অ্যাসাঞ্জের ভঙ্গি কয়েকটি বিষয় খোলাসা করে। প্রথমত, ষড়যন্ত্রকে শাসকতার অংশ হিসেবে থিওরাইজ করা। দ্বিতীয়ত, খোদ ষড়যন্ত্র ও কমিউনিকেশন এর মিথোজীবিতাকে উন্মোচন করা। তৃতীয়ত, পুরো ষড়যন্ত্রকে এতদিন একটা দৃষ্টিভঙ্গি হিসেবেই দেখা হত; বলা হত এটা তো ‘ষড়যন্ত্রতত্ত্ব’। আর সত্যিকারের কোন ষড়যন্ত্র উন্মোচন করলেও তখন বলা হত, এসব ষড়যন্ত্র দিয়ে সামাজিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি বোঝা যায় না। অ্যাসাঞ্জের আলাপ এই তৃতীয় প্রকল্পকে ধূলিসাৎ করে দেয়।